ডিসেম্বর ৭, ২০২২

বিজ্ঞান রোগা মুসলিম বলতে এখানে ওই সব মুসলমানদের বুঝানো হয়েছে যারা বিজ্ঞানের আবিষ্কার ইসলামের সাথে মিলিয়ে নিতে চায়৷ ইসলামের সাথে সংযোগ করতে চায় তাদের বলা হয়েছে৷

বিজ্ঞানের আবিষ্কার মানা না মানা কোন বিষয় নয়৷ যদি বিজ্ঞান অস্বীকার করা হয় তবে ঈমান নষ্ট হবে না৷ কিন্তু বিজ্ঞানের আবিষ্কার মানতে গিয়ে ঈমান নিষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে৷

দুইটা দিক নিয়ে আলোচনা করব৷

১. বিজ্ঞান দিয়ে ইসলাম মানতে চায়৷

২. ইসলাকে বিজ্ঞান বানাতে চায়৷

উল্লেখিত এই দুইটি বিষয়ের মধ্যে দুটোই মারাত্মক ভুল৷ কিভাবে ভুল সেটা হয়তো অনেকেই মানতে চাইবে না৷ বলতে ইসলাম বিজ্ঞানময়৷ কুরআন একটা বিজ্ঞানময় গ্রন্থ৷ পবিত্র কুরআন থেকেই বিজ্ঞান অনেক কিছু আবিষ্কার করেছে৷ কুরআনে যা বলা আছে বলেন বিজ্ঞান তা আবিষ্কার করেছে৷

তার মানে কি এই যে, বিজ্ঞান বললে বিশ্বাস করবেন আর না করলে বিশ্বাস করবেন না? এমন কি ঈমান?৷ না ঈমান এমন নয়৷

আবার বিজ্ঞানের সাথে মিল করে বিজ্ঞান আবিষ্কার করছে আর সেটা বলে বেড়ালে ইসলামের সত্যাতা বেরে যাবে? যদি তাই হয় তবে যেটা আবিষ্কার হয়নি সেটার কারণে কি ইসলামের সত্যতা কমে যাবে? তখন কিন্তু আপনি সেটা মানবেন না৷

বিজ্ঞানের আবিষ্কার এতটুকুই যে এটা নাস্তিকদের জন্য একটা নিদর্শন হিসেবে৷ ওদের একটা জবাব দেয়ার সুযোগ যেটা বিজ্ঞানের আবিষ্কার৷ আল্লাহ তায়ালা সকল কিছুর সৃষ্টি কর্তা৷ তিনি সকল কিছুর নিয়ন্ত্রক৷ সো, বিজ্ঞানের আবিষ্কারে আমাদের ঈমানের সম্পর্কে নেই৷

আমরা কুরআন হাদিস অনুযায়ী ঈমান আনি৷ ঈমানের শর্ত মেনে ঈমান আনি৷ বরং বিজ্ঞানের যে আবিষ্কার আমাদের ঈমান নষ্ট করবে সেটা অস্বীকার করা না মানা আমাদের জন্য বৈধ৷ এবং কর্তব্য৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *